![]() |
| বন্যায় কেমন আছেন হাওর এলাকার নারীরা? barta update 24 |
হাওর এলাকায় বৈশাখ মাসে নারীদের উপর চাপ বেশি হয়। বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ায় ও অনবরত বৃষ্টি হওয়ায় তাদের সে চাপ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে এ বছর।নারীদের উভয়দিক সামলাতে হচ্ছে; ঘরের কাজ এবং ঘরের বাইরের কাজ।শত শত মন ধান শুকাতে হয়, সিদ্ধ দিতে হয়, গোলায় ভড়তে হয়।রান্না বাড়া করে সবার মুখে তোলে দিতে হয় খাবার। আবার তা শেষ করেই ধানের কাজে লাগতে হয়।পুরুষের পাশাপাশি সারা দিন ধান শুকানো, সারারাত ধান সিদ্ধ দেওয়া, ধান ঘরে তোলা ইত্যাদি নিয়ে বাড়তি ছাপ পড়েছে নারীদের উপর।
অতিবৃষ্টি চলতি বছর আরো একটি গুরুতর সমস্যায় নিপতিত নারীরা। আর তা হচ্ছে -লাখড়ির অভাব।যাও কিছু আছে তাও ভেজা।ভেজা লাখড়িতে রান্না করা ভুক্তভোগীরাই জানে বলে উপজেলার শরীফ পুর গ্রামের এক গৃহিনী জানান।
তিনি আরো জানান, গ্রামের অধিকাংশ পাকঘর বৃষ্টিতে ভীজে আছে।চলতি বছর দালান পর্যন্ত নিরাপদ নয় বৃষ্টি থেকে।
উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের কৃপাল নগর গ্রামের বাসিন্দা আমিন আনসারী জানান, লাখড়ি তো কিনতেও পাওয়া যাচ্ছে না।লাখড়ি শুকাচ্ছে না কারো। গ্রামে যারা ' ছডা' (গোবর ও খড় দিয়ে তৈরি লাখড়ি বিশেষ) বিক্রি করেন রোদ না থাকায় তাঁরা ছডা দিতে পারছেন না।
জানা যায়, চলতি বছর যে বন্যা হয়েছে, সেরকম বন্যা তা গত ১০ বছরে ও হয়নি বলে এলাকাবাসীরা জানান।হাজার হাজার একর বোরোধানের জমি ধানকাঁটার সময়ের আগেই বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যেতে থাকে।কাঁচাপাকা কিছু কাঁটলেও পরিবহনে সমস্যা, শ্রমিকের সমস্যা, রোদে শুকানোর সমস্যায় পেয়ে বসে।তবে গত তিনদিন( মঙল,বুধ ও বৃহস্পতিবার) হাওরাঞ্চলে রোদ ওঠায় কিছুটা পেটের ভাতটা যোগার করতে নেমে পড়েছেন কৃষান-কৃষানীরা। এরই মাঝে বন্যায় কেমন আছেন হাওরের এলাকার নারীরা?
সূত্র: বার্তা আপডেট ২৪

মতামতঃ-ক্রমানুসারে
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন