বার্তা ডেস্কঃ তিন চারদিনের ভারি বর্ষণে হবিগঞ্জ জেলার বেশ এলাকা বন্যায় প্লাবিত। ধানি জমি এক্কেবারে পানির নিচে। কেটে আনার আর কোনো সুযোগ নেই। অনেক ক্ষেত কাটার পরও রাস্তায় পানি উঠে তলিয়ে গেছে। ফলে বাড়ি নিয়ে আসারও সুযোগ নেই। বিশেষ করে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের সবক'টি হাওর তলিয়ে গেছে। অনেক এলাকার কাছাকাছি পানি পৌঁছে গেছে। মাঠে অনেকের ধান কেটে রেখেছে। কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে মাঠেই পড়ে আছে ধান।
কাকাইলছেও ইউনিয়নের রাসুলপুর গ্রামের মিসবা মিয়া জানান, হাওরে পানি এসে গেলেও ধান কেটে রাস্তায় রেখে দিই। কিন্তু ইদানীং টানা বৃষ্টির কারণে রাস্তা-ঘাট তলিয়ে গেছে। বাড়িতে নিয়ে আসার আর সুযোগ রইলো না। অনেক কষ্ট করে কেটে আনি। কিন্তু সোনার ফসল ঘরে তুলতে পারি নাই। ২০ কের জমির থেকে মাত্র ৩ কের ক্ষেত কাটতে পারি। কিন্তু জাত করার সুযোগ হয়নি।
এভাবে শরিফপুর গ্রামের মমশাদ জানান, সে মাত্র ২ কের ধানি জমি করে। কিন্তু বাড়ির কাছে থাকা স্বত্তেও ঘরে আনতে পারিনি। চোখের সামনে টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেল, কিছুই করার ছিলো না। বর্তমান পরিস্থিতিতে ধান কেটে আনার মতো সুযো বা ব্যবস্থা করতে গেলেও বজ্রপাতের ভয়ে কেউই হাওরে যেতে পারছেন না। কারণ - প্রতিদিনই বজ্রপাতে মানুষ মারা যাচ্ছে এরকম সংবাদ শুনা যাচ্ছে। বাড়িতে বসে কষ্টে চোখের পানি ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
ফলে মানুষ এ বছর খুব কষ্টে জীবন যাপন করতে হবে বলে আশংকা করছেন কৃষকরা। কৃষি ভিত্তিক বাংলাদেশের উপরো এক প্রকার ছাপ পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষিবিদেরা।

মতামতঃ-ক্রমানুসারে
Post a Comment