দেশের উত্তর- পুর্বাঞ্চলের একদিকে ফসল হারানোর ভয়, অন্যদিকে ফসল কাটার টেনশানে পেয়ে বসেছে কৃষকদের।বৃষ্টি হলেই বোরো ফসলের জন্য বিপদ। আর প্রতিদিন বৃষ্টি হচ্ছেই হাওরাঞ্চলের কোথাও না কোথাও।তাই চারদিকে বোরো ফসল নিয়ে আলাপ আলোচনা শুনা যায়। তবে হাওর এলাকার সব জায়গায় বোরো ধান নষ্ট হয় নি। বিল এলাকা জোড়ে যেখানে ধান আছে সেখানেই আহাজারি কৃষকের।
গত মঙল ও বুধবার হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের নোয়াগড় গ্রামের ঝিংড়ী নামক বিলের বাধ ভেঙে যাচ্ছে।সেখানে নোয়াগড় গ্রামের দুই -আড়াইশত মানুষ দিনরাত বাধটি বাধার কাজ করছেন। স্থানীয় সাংবাদিক আমির হামজা ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রহুল আমিন জানান, আজ (বুধবার ১৫ এপ্রিল ২৬) নোয়াগড় বাধ পরিদর্শন করেছি। সেখানে বৃষ্টির পানি ও নদীর পানির চাপে বাধটি হুমকির মুখে পড়েছে।ইতোমধ ৪০-৫০ হেক্টর বোরো জমি তলিয়ে গেছে।কৃষি কর্মকর্তক আরো জানান, উপজেলার জোরবিলে পানি জমে আছে। সেই পানি বের হতে পারছে না তাই বোরো জমি হুমকির মুখে আছে। তাই আমরা প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে চেষ্টা করছি পানি কি ভাবে নিস্কাশন করা যায়।
এদিকে, উপজেলার কাকাইলছেও গ্রামের পুবের হাওরে বোরোধানের জমি না ডুবলে ও রাস্তা জলমগ্ন হওয়ায় কৃষকরা মস্ত টেনশানে আছেন, কিভাবে বোরোধান ঘরে তোলবেন।হাওরের অধিকাংশ রাস্তা বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে।কাকাইলছেও গ্রামের মামুন মিয়া জানান,রাস্তায় পানি থাকার কারণে গাড়ী চলবে না, তাই কিভাবে বোরোধান ঘরে তুলবো বুঝতে পারছি না। এজন্য কৃষকদের রাতদিন ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: বার্তা আপডেট ২৪ -

মতামতঃ-ক্রমানুসারে
Post a Comment