ঢাকা

মধু: স্বাস্থ্য উপকারিতা সংক্রান্ত-বার্তা আপডেট ২৪

barta Update 24:

প্রকাশিতঃ

Shares
মধুর স্বাস্থ্য উপকারিতা, কুরআন-হাদিসে মধুর গুরুত্ব, প্রাকৃতিক চিকিৎসায় মধুর ব্যবহার, কাশি ও হজম সমস্যায় মধুর উপকারিতা
ইসলামের দৃষ্টিতে মধুর উপকারিতা- বার্তা আপডেট ২৪


বার্তা ডেস্ক:  স্বাস্থ্য উপকারিতা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা বললে সবার আগে মধু’র আলোচনা আসবে- এতে কোনো সন্দেহ নাই। কুরআন-হাদিছে যেভাবে মধু’র উপকারিতা সম্পর্কে বলা হয়েছে, ঠিক তেমনি স্বাস্থ্য বিজ্ঞানেও আলোচনা এসেছে।
  
আল্লাহ তা’লা বলেন, ‘ তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় (মধু) বের হয়, এতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের আরোগ্য।’ সূরা নাহল-৬৯। আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় য়ে, মধু আল্লাহ তা’লার বিশেষ অনুগ্রহ। 

এতে চিকিৎসাগত গুনও আছে। আল্লাহ তা’লার প্রিয় হাবিব সা. বলেছেন যে, ‘ শিফা রয়েছে তিন জিনিস মধু পান করা, হিজামা করা এবং আগুন দ্বারা দাগ দেওয়া’।

এছাড়া এক ছাহাবির ভাইয়ের পেটের রোগে রাসুল সা.  মধু পান করানোর পরামর্শ দেন এবং তিনি সুস্থ হয়ে যান।’ 
চিকিৎসা বিজ্ঞানে বলা হয়েছে যে, মধুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সৎক্রমণ থেকে রক্ষা করে। 

যেমন-  
কাশি হ্রাস। 
গলা ব্যথা কমানো।
বিশেষ করে শিশুদের কাশি কমাতে খুবই কার্যকর। 
হজমে সহায়তা করে এবং পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

শক্তি বাড়ানো
ত্বক ও চুলের জন্য উপকারি হিসেবে কাজ করে এবং ব্রন দূর করে। 

স্বাস্থ্য পরামর্শে মধুর ব্যবহার:
দৈনিক পরামর্শ রুটিন-= সকালে খালি পেটে মধু;
১ গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে ১ চামচ মধু।
রাতে: হালকা গরম দুধে ১ চামচ মধু (ঘুম ভালো হয়)।
হজম ভালো করে ও শরীরকে সতেজ রাখে।

কাশি ও গলা ব্যথায়;
১চা চামচ মধু + লেবুর রস।
দিনে ২/৩ বার খেলে আরাম পাওয়া যায়।

শক্তি বাড়াতে
দুর্বলতা বা ক্লান্তিতে সরাসরি দূর করতে;
১/২ চামচ মধু।

 পেটের সমস্যায়;
মধু হালকা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে।
বদহজম ও গ্যাস্ট্রিক কমাতে সহায়ক।

ত্বকের যত্নে;
মধু সরাসরি মুখে লাগালে ত্বক নরম ও উজ্জ্বল হয়।

সতর্কতা (খুবই গুরুত্বপূর্ণ) 
১ বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু খাওয়ানো যাবে না। 
অতিরিক্ত মধু খেলে ওজন বাড়তে পারে।
ডায়াবেটিস রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।

পরিশেষ: মধু শুধু একটি খাদ্য নয়, বরং সুন্নাহসম্মত একটি সুচিকিৎসা। নিয়মিত ও পরিমিত ব্যবহার করলে এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বিভিন্ন ছোটখাটো সমস্যায় কাজ করে।  

মূলত: আমরা ড্রাগ্স নির্ভর ওষুধ সেবনে অ্ভ্যস্ত হয়ে গেছি। এরকম ওষুধি খাবার থেকে দূরে আছি। ফলে আমরা নাানান রোগে আক্রান্ত হই। তখনই আমরা ডাক্তারের শরনাপন্ন হই। আমরা যদি নিয়মিত ঐরকম ওষুধি খাবার খেতাম, তাহলে আামাদের কোনো রোগই হত না। আর সকাল-বিকাল ডাক্তারের কাছে যেতে হত না। আমরা কিছু হলেই ডাক্তারের শরনাপন্ন হই।

 ঘরোয়া কোনো টিপস কিংবা আল্লাহ- রাসুলের দেয়া পথে কিংবা তিব্বে রাসুলের পথে থাকি না। অন্যথায়, আমরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হতাম।

সূত্র:বার্তা আপডেট ২৪
Tags:
Blogger

মতামতঃ-
ক্রমানুসারে