![]() |
| তলিয়ে যাওয়া ধানি জমির পাশে দাড়ানো কৃষক- বার্তা আপডেট ২৪ |
আজমিরীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি ।। ধান কাটতে না পেরে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেও ইউনিয়নের কিছু জমিতে ধান রেখেই কম মূল্যে বিক্রি করে দিচ্ছেন কৃষকরা ।
ধান কাঁটার শ্রমিকের অভাব ও পরিবহন সমস্যায় কারণে ধান কাটার আগেই জমিতে রেখে বিক্রি করে দিচ্ছেন।তাও একেবারে পানির দরে। এলাকায় ধান কাঁটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।কিছু কিছু পাওয়া গেলেও এক কের( ২৮ শতাংশ) খেত ধান কাটাতে তিন থেকে চার হাজার টাকা লাগে।এরপর পরিবহনে লাগে দেড় থেকে দুই হাজার, পরে মাড়াই করতে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা।
উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের শরীফ পুর গ্রামের নজির মিয়ার ছেলে মমশাদ মিয়া জানান,তাঁর দুই কের (৫৪ শতাংশ) বোরো ধানের জমি ছিল একই গ্রামের মাঠের কাছে লুঙা নামকস্থানে। তিনি মাত্র ৬ হাজার টাকায় খেতেই ধান রেখে আন্দাজ করে বিক্রি করে দিয়েছেন একই গ্রামের জব্বর মিয়ার ছেলে বরকত মিয়ার (৪০) নিকট। মমশাদ মিয়া জানান, শ্রমিক পাই না। বাড়িতে নেবার লোক পাই না। ধান বিক্রিও করতে পারছি না । ন্যায্য দামেও পাচ্ছি না। তাই ধান খেতেই বিক্রি করে দিয়েছি।
একই অবস্থা কাকাইলছেও কৃপাল নগর গ্রামের মুক্তিযুদ্ধা আলাউদ্দিন মিয়ার ছেলে শুবায়ের মিয়ার। তিনি ২০ কের (প্রায় তিন একর) বোরোধানের জমি বিক্রি করে দিয়েছেন এক লাখ বিশ হাজার টাকায়।তাঁর জমির অবস্থান কাকাইলছেও গ্রামের ফাডা হাওরে ।
জানা গেছে, কৃষকরা তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিচ্ছেন তাদের জমির ধান।
আরও জানা গেছে,যাদের জনবল আছে বা কষ্ট করার মত মানষিকতা আছে তাঁরা ধানের জমি কিনে নিচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, বর্গাচাষীদের এক বিঘা ধান চাষ করতেই খরচ হয় পনের হাজার টাকা। আর জমির মালিক চাষ করলে গড়ে খরচ হয় দশ হাজার টাকা।
বার্তা আপডেট ২৪

মতামতঃ-ক্রমানুসারে
Post a Comment