![]() |
| হাওরের পশুপাখিও ভালো নেই- বার্তা আপডেট ২৪ |
আজমিরীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
হাওর এলাকার প্রাণীকুলও বিপদে আছে।পশুপাখিরা খাবারের সমস্যায় নিপতিত হয়েছে। আগামী কয়েক মাস কি খাওনো হবে চিন্তায় পেয়েছে কৃষককে। বিস্তীর্ণ হাওর তলিয়ে যাওয়ায় গো-খাদ্যের চারণভুমি সংকুচিত হয়ে এসেছে। ধান গাছের খড় পঁচে গেছে।মাঠের ঘাস পানির নিছে তলিয়েছে। এজন্য কেউ কেউ গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন। গরুর দাম পড়ে যাওয়ায় ইচ্ছা থাকলেও বিক্রি করতে পারছেন না।
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেও গ্রামের কৃপাল নগর পাড়ার আলা উদ্দিন মিয়া (৭৫) জানান, তাঁর ছেলের একটা ষাড় আছে, খাদ্যের অভাবে বিক্রি করে দেবে বলে ছেলে সুবায়েল ( মিয়া ৪০) জানিয়েছেন তাকে।
একই উপজেলার মাহতাবপুর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী রুপন মিয়া জানান, আজমিরীগঞ্জ বাজারে গত হাটবার ১০ হাজার টাকা লসে একটি গাভী বিক্রি করে দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, এছাড়া উপায় নাই।বিক্রি করতে হইব।কারণ গরুর খাওন নাই। অনুরুপ চিন্তায় পড়েছেন হাওরের প্রায় সব কৃষক।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, হাওর এলাকায় আবহমান কাল থেকে বৈশাখ মাস আসলে ধান ও খড় মাঠঘাটে ছড়ানো থাকে। আর সেগুলো খায় হাঁসমুরগি ও পাখিকুল । কিন্তু চলতি বছর মাঠঘাটে ধান ছড়ানো নেই। খলায় ধান নাড়তে পারছেন না রোদের জন্য। তাই চড়ুই,শালিক ও হাঁসের খাবার সংকোচিত হয়ে পড়েছে।মাঠের পর মাঠ বৃষ্টির পানিতে ডুবে আছে বোরোধান। কিছু কিছু কাটা হলেও চারা উঠে যাচ্ছে ধানে, পঁচন তো রয়েছেই। সর্বশেষ হিশাব মতে মনে করা হচ্ছে, হাওরে ১২ আনা ধান নষ্ট হয়ে গেছে।
আনন্দপুর গ্রামের হাজী আব্দুল কাইউম (৫০) বলছেন, জীবনেও এত বৃষ্টি দেখি নাই। অন্যান্য বছর বৃষ্টি হইছে, রোদ ওঠছে কিন্তু চলতি বছর দেড়মাস ধরে বৃষ্টি- এমন কখনো দেখছি না।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. নূরুল ইসলামের সাথে একাধিক বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায় নি।
সূত্র: বার্তা আপডেট ২৪ -

মতামতঃ-ক্রমানুসারে
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন